This is How Scrapping of IPC497 (Adultery Law) Changed My Life

result-of-adultery

Written based on a recent email recieved from one of my readers. English translation and the reply is added below.

================================================

“মা আমরা সবাই একসাথে থাকতে পারি না?”

আমার ছেলে যখন আমার গলা জড়িয়ে ধরে কথাগুলো জিজ্ঞেস করলো, আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছিল।  ভেবে পাচ্ছিলাম না কি বলবো।  ও’কে  নাকি ওর বাবা বলেছে, ‘বাবু তুই আর আমি চলে যাবো’ . অনেক কষ্টে কান্না সম্বরণ ক’রে, নিজের বুকের ভেতর ভয়ানক এক কালবৈশাখীর ঝড় চেপে রেখে শান্ত গলায় হয়তো বা একটু উদাস হয়েই বলেছিলাম – ‘হ্যাঁ, এক সাথে থাকলেই তো হয়, কি জানি কেন বলেছে।’ নিজের চোখের সামনে নিজের ঘর ভাঙতে দেখার যন্ত্রণাটা আবার বুকটাকে মোচড় দিয়ে গেল।

ওই ৭ বছরের ছেলেটা তো জানে না যে, ওকে যে মা এতদিন বুকের মাঝে আগলে রেখেছিলো, যে মা সারাদিন তার জন্য অক্লান্ত খেটে শুধু যার কথাই দিন রাত ভেবে মরেছে, আজ সেই মা’ই ওই সংসারে ব্রাত্য।

আমি সুন্দরী নই, মোটামুটি দেখতে।  বাঙালি মেয়েদের তুলনায় আমাকে দেখতে বাজে।  ছেলেদের সাথে কোনো দিন-ই ঢলাঢলি করে সময় নষ্ট করি নি।  তাই সুপ্রিয়’কে যখন ভালোবেসেছিলাম তখন বাড়ির সবার সাথে লড়াই করেই ওকে বিয়ে করি।  আমার ভরসা ছিল ও’র ওপর।  আমি একবার-ও ভাবি নি যে আমি ওর থেকে উচ্চ-শিক্ষিত।  আমি ছেলের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চাকরিও ছেড়ে দি।  আমার দাদারাও উচ্চশিক্ষিত। ওরা অনেক বারণ করেছিল, শুনি নি।  বিশ্বাস ছিল সুপ্রিয়’র ওপর।  ভালো বেসেছিলাম তো।  মনে হয়েছিল সারা জীবন একসাথে কাটাতে পারবো।

আমার স্বপ্ন তো বেশি কিছু ছিল না, একটা ছোট্ট সুখী পরিবার। তাই ছেলে হবার পর ওকেই বুকে আঁকড়ে ধরে মানুষ করছিলাম।  চাকরি-টাও ছেড়ে দিলাম ওর জন্য।  নইলে ওকে কে দেখতো ? ওর নাওয়া-খাওয়া, পড়াশোনা, খেলাধুলা – এমনকি সারাদিনের যত বায়না সব-ই তো সামলেছি।

আমার স্বামীর পরিবার শুধু ডাল-ভাত আর মাছ-মাংস ছাড়া আর কিছুই খেতে জানে না।  প্রত্যেক দিন দু’বেলা একই খাবার।  আজকাল ছেলেদের কত বাইরে বাইরে যেতে হয় চাকরি করতে।  কে বলতে পারে আমার ছেলেকেও যেতে হবে না ভবিষ্যতে? তাই আমি ওকে সব কিছুই খাওয়াতে চাইতাম।  শাক, সব্জি, বিভিন্ন ধরনের মাছ, এমনকি নীমপাতা পর্যন্ত।  আর তাই নিয়েই বিভিন্ন সময়ে হয়েছে অশান্তি।

সুপ্রিয় নিমপাতা একদমই পছন্দ করতো না।  তাই ছেলেকে এইসব খাওয়াতে দেখলে ও আর ওর মা প্রচন্ড আপত্তি করতো।  অনেক সময় কথা কাটাকাটি ও হতো।  আমার ছেলে যদি ভবিষ্যতে চেন্নাই বা ব্যাঙ্গালোরে যায়, কি করে ওখানকার খাবার খাবে? কেউ বুঝতো না।  ধীরে ধীরে আমার ওপর নানা কারণে ওরা অত্যাচার শুরু করে।  গালাগালি করে।  মারধর করে।  এমনকি সুপ্রিয় অনেক বার আমার গলা টিপতে চেষ্টা করেছিল।

বাড়িতে বলতে পারিনি ভয়ে।  কারণ বাড়ির সঙ্গে ঝগড়া করে বিয়েটা করেছিলাম।  দাদাদের মুখের ওপর বড়াই করেছিলাম সুপ্রিয় কে নিয়ে।  কোন মুখে ওদের বলতাম যে আমাকে ওরা গালাগালি দেয়, মারধর করে?

দু-একবার ওরাই ফোন ক’রে আমার বাড়িতে জানিয়েছিল আমাকে নিয়ে যাবার জন্য।  ও নাকি আর থাকতে পারছিল না।  আমার বাড়ি থেকে আমাকেই বকাঝকা ক’রে চুপ থাকতে বলেছিল।  সবাই ভেবেছিলো আমরা আমাদের সমস্যা নিজেরাই মিটিয়ে নেবো।

কিন্তু তা আর হয়ে উঠলো না।  ছেলে যত বড় হলো, দিন দিন ও’কে নিয়ে আরও ব্যস্ত হয়ে উঠলাম।  ওর জন্য নতুন নতুন টিফিন বানিয়ে দেওয়া, নতুন নতুন খাবার করে দেওয়া এই সব।  আমার বড় বা শাশুড়ি কেউই কিন্তু ওসব খেতে চাইতো না।  আমি অনেক বার সাধাসাধি করেও ফল পাই নি।  কিন্তু আমার ছেলেটাকে তো খাওয়া শেখাতে হবে।

তাই আজকের ছেলের মুখের এই কথাগুলো আরও বেশি করে বুকে বিঁধছিল।  আমি যে ওদের ছেড়ে যেতে চাই না।  কোনোদিন-ই চাই নি।  তাই উচ্চ শিক্ষিত হয়েও, সরকারি চাকরি করেও, আমার সংসারটাকে বুকে বেঁধে রাখতে চেয়েছিলাম।  আমি তো আমার ছেলের জন্যই চাকরি ছেরেছি।  অথচ ওর বাবা ওর বাবা ওকে শেখাচ্ছে ওরা কোথাও চলে যাবে।

আমি ফেমিনিজম বুঝি না। তাই দাদারা অনেক বার DVকেস করার কথা বললেও আমি করতে চাই না।  তাই তো শত গঞ্জনা শুনেও এই বাড়িতে পরে ছিলাম।

সব কিছুই হয়তো ঠিকঠাক চলতো কিন্তু গত দুই-তিন মাস ধরে অত্যাচার চরম সীমায় পৌঁছয়।  তার ওপর বেড়ে যায় বারে-বারে আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবার হুমকি।  যে সংসারকে আমি আঁকড়ে ধরতে চাই সেখানে আমি নিজেই যে কবে ব্রাত্য হয়ে গেছি বুঝতে পারি নি।

কি যে হলো হঠাৎ, এই কথাটাই ভাবছিলাম। এখন ও আমার সাথে কথা বলে না।  চা করে দিলে, গরম চা ছুঁড়ে মারে।  যখন তখন গলা টিপে দেয়।  আমি জানি না আমি কি দোষ করেছি।  আমি দেখতে সুন্দর নই – এটাই কি আমার দোষ? নাকি আমি আমার সংসারকে অবলম্বন করে বেঁচে থাকতে চাই, সেটাই আমার দোষ?

ও সারাক্ষন ফোন নিয়ে পরে থাকে।  সেদিন হঠাৎ করেই কি মনে করে ওর ফোন- টা দেখি।  কয়েকটা মেসেজ প’ড়ে  তো আমার চক্ষুস্থির।  জানতে পারি সুপ্রিয় আমাদেরই এক বান্ধবীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত।  ওদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ও আছে। অশ্লীল, অন্তরঙ্গ সমস্ত মেসেজ দেখে আমার শরীরের ভেতরে সব কিছু কেমন যেন শুকিয়ে গেল।  মাথা ঘুরতে লাগলো।  কি করবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।  থম মেরে  বসে রইলাম এক জায়গায়।  গত কয়েক মাস ধরেই ওরা অন্তরঙ্গ।  শারীরিক সম্পর্ক ও আছে।

আমার চোখের সামনেই যেন সমস্ত কিছু অন্ধকার হয়ে গেল।  যে সংসার-টাকে আমি নিজের হাতে আস্তে আস্তে সাজিয়ে তুলেছিলাম, যে ছেলেটাকে আমি আস্তে আস্তে বড় করে তুলছিলাম, আজ সে সব যেন হঠাৎ করে দূরে সরে গেল। কে যেন এক ধাক্কায় আমাকে বুঝিয়ে দিলো, আমি তো সুন্দরী নই, তাই আমার সুখী পরিবারের স্বপ্ন থাকতে নেই।  নিজের মনের মতো কাউকে ভালোবাসার অধিকার আমার নেই।  যে কোনো মুহূর্তেই আমার কাছ থেকে সব কিছু চলে যেতে পারে।

আমি আইন-কানুন বুঝি না।  আমি কি-কি কেস করতে পারি তাও জানি না।  শুধু এইটুকু জানি, এক সুখী পরিবারের অধিকার আমার নেই।  একজন বললো পরকীয়া নাকি এখন বৈধ।  তাই আমার স্বামী বা ওই  মেয়েটি তাদের সংসার ভেঙে দিয়ে কোনো অপরাধ করে নি।  এটা নাকি ওদের অধিকার।  আর আমার অধিকার? অনেকে বলছে, ‘খোরপোষ পাবি, ছেলেও তোর কাছে থাকবে আর ও টাকাও দেবে।’ কিন্তু সুপ্রিয় প্রথমেই সব কিছু উড়িয়ে দিয়েছে।  ‘আমি ছেলের টাকা দেব, তোমার টাকা কেন দেব? সে তুমি কেস করে দেখো।’

আজ আমার আপনাদের কাছে প্রশ্ন – আমরা কি এই কেস করা ছাড়া জীবন-টাকে সহজ ভাবে দেখতে ভুলে গেছি? আমি যে সংসার চাই, সে সংসার আজ কত সহজে ভেঙে যাচ্ছে।  একটা মেয়েই ভেঙে দিচ্ছে।  যে সমস্ত মেয়েরা সুন্দরী, তারা কি এভাবেই সবার সংসার ভেঙে বেড়াবে? তবে আমাদের মতো সাধারণ মেয়েদের কি হবে? আজ যে ও আমাকে খোরপোষ না দিয়ে সংসার ভেঙে দেবে বলছে।  আমি যে এই সংসারের জন্য আমার চাকরি ছেড়েছি বহু বছর আগে।  আমি কি আর চাকরি পাবো? কোনো ছেলে হলেও কি পেতো?

আমি ফেমিনিস্ট নই।  তাই আমি এতোদিনেও কোনো কেস করি নি।  আমি চাই আমার স্বামী আর সন্তানকে কাছে পেতে।  আমি কি ভুল কিছু চাইছি? আজ সমাজে পরকীয়া রুখতে কোনো ব্যবস্থা কেন নেই? কেন কোনো আইন নেই ? তাতে কি আমার মতো মেয়েদের সর্বনাশ হচ্ছে না? আর তোমরা দাদারা, তোমরাও কি আমার স্বামীর মতো ছেলেদের সমর্থন করো ? তোমরাও কি ওদের অধিকারের জন্য লড়তে চাও? তোমার নিজের বোন হলে কি করতে?

কেন জানি না, আজ আমার নিজেকে শুধুই আস্তাকুঁড়ের জঞ্জাল মনে হচ্ছে।

উত্তর

তোমার কথা পড়ে সত্যি মর্মাহত হলাম।  আমি বলতে পারি যে আমরা পুরুষাধিকারের জন্য লড়াই করলেও, মহিলাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সমর্থন করি না।  কিন্তু কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার আগে আমাদের তোমার স্বামীর বক্তব্য খতিয়ে দেখতে হবে।

আমরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করেছি যে পরকীয়া আইনকে উঠিয়ে দেবার সময় সুপ্রিম কোর্ট ‘অধিকার’ নিয়ে এতো কিছু বলেছে যে তা আমাদের সমাজে এক ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করেছে যে পরকীয়া হলো আমাদের ‘অধিকার’. আমরা এটাও দেখেছি যে এই রায়ের পরেই সমাজে পরকীয়া অত্যন্ত বেড়ে গেছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে।

এর জন্য কিন্তু আমাদের সংবাদমাধ্যম দায়ী।  সুপ্রিম কোর্ট নয়।  সুপ্রিম কোর্ট তো রায়ে পরিষ্কার করে বলেছেন যে ‘পরকীয়া যে এ এক অপরাধ তাতে কোনো সন্দেহই নেই।  এবং এর জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ ও হতে পারে’। কিন্তু আমাদের সংবাদ মাধ্যম এমনভাবে এই খবর আমাদের দিয়েছে যেন পরকীয়া এখন আর কোনো অপরাধ-ই নয়।

তোমার স্বামীর ক্ষেত্রেও হয়তো সেরকম কিছুই হয়ে থাকবে।  যখন পরকীয়া বিষয়ের আইনকে আরও শক্ত করার দরকার ছিল, একে ফৌজদারি আইন থেকে বাদ দেওয়াটা এক ভুল ধারণার সৃষ্টি করেছে যে এটা আমাদের ‘অধিকার’, কিন্তু এমনটা ঠিক নয়।  আজও তুমি পরকীয়া-তে বিবাহ বিচ্ছেদ পেতে পারো।

সব শেষে একটা কথা বলি।  আমি নিজেও পরকীয়া আইনকে ফৌজদারি আইনের আওতার বাইরে রাখায় খুশি।  কারণ আগে এ অভিযোগ প্রমাণ করা ছিল অত্যন্ত দুরূহ কাজ। ফৌজদারি মামলায় যা হয়।  কিন্তু যদি এটা শুধু মাত্র গার্হস্থ আইনের মধ্যে থাকে তবে অত প্রমাণের দরকার নেই। তাই বলবো, হয়তো বা  IPC ৪৯৭ কে ছেঁটে ফেলার সময় পরকীয়ার সম্বন্ধে যথাযথ সিভিল ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করার দরকার ছিল।

English translation below –

****

adultery-observation-by-sc
Adultery – observations of Indian SC about IPC497

English translation

‘Mom, can’t we stay together’

My heart was writhing in pain, when my little son put his arms around my neck and asked me that question. I didn’t know what to say. His father has told him that they both will go away somewhere. I tried hard to withhold my tears. I suppressed a monstrous thunder in my heart and said rather indifferently, ‘Yes, we can stay together. Not sure why he said that’. The pain of watching my home braking down in front of my own eyes was unbearable.

The 7-year-old did not know that the mother who had kept him in her heart for so long, the mother who spent every day of her life thinking only about him, the same mother is no longer required in that family.

I am not good-looking. You can say I am merely an average-looking girl compared to other Bengali beauties around. I have never wasted my time in flirting with other boys. That’s why when I fell in love with Supriyo, I fought with my entire family to marry him. I trusted him. I have never thought that I was highly educated compared to him and was also working in a government entity. Even I left that job after our son was born. Even my brothers are all highly educated. They tried to stop me from marrying but I didn’t listen to them. I had complete trust in Supriyo because I loved him. I thought we could spend the whole life together.

I didn’t have a very big dream. I only wanted a small and happy family. So, after my son was born, I wanted to make him my life. Crafted all my dreams around him. I left my job for him. Otherwise, who would look after the kid? For seven long years, I have taken all care of him. I was always available to take care of his tantrums.

My in-laws eat the same food every day, day and night. Simple Dal, fish curry or chicken/mutton. They hardly want any variety of vegetables available in the market. Nowadays boys are going to other cities for work. Who knows if my son will also not end up in any of those different cities? So, I wanted to create a habit in him so that he developed taste for everything, like vegetables, different varieties of fish, even Neem leaves (‘fired tender neem leaves’ is a delicacy for many Bengalis and there are many who hate that taste as well).

Supriyo and his family didn’t like neem leaves. So, whenever I tried to give him neem leaves, they used to protest but by then my son had developed taste buds for neem leaves. There were times we had quarrel because of this difference in food habits. I always thought if my son has to go to other cities like Chennai or Bangalore, how will he survive? But they didn’t understand. Slowly they started committing violence on me. They started both verbal and physical abuse on me. Even there were times when Supriyo wanted to throttle me to death.

Out of fear, I couldn’t even tell my family members about these atrocities. I got married after fighting with them. I had boasted about Supriyo to my brothers before marriage. How could I tell them that my in-laws were torturing me?

It was my in-laws who called my family a couple of times and asked them to take me back. He was not able to live with me. My parents scolded me and asked me to behave and listen to them. Everyone thought we will resolve the matter within us.

But that has never happened. As our son grew up, I became busier with him. Making different types of tiffins every day, cooking new food to alter his taste buds etc. But neither my husband nor my mother-in-law was interested in those. I requested them enough but didn’t get any result. But I had to teach my son to get used to different types of food.
That’s why my son’s words pierced me even more today. I don’t want to leave them, I never did. So, in spite of being highly educated, despite working in a govt entity (in WB people are crazy for govt jobs as they are secure), I wanted to keep my family close to me. I left my job for my child, despite that his father is teaching him that they would start living separately.

I don’t understand feminism. That’s why when my brothers asked me to file DV case against them, I didn’t. That is why even after so much of abuse I am living there.

In last 2-3 months abuses have increased many folds. Over and above that they started threatening to throw me out of their house. I didn’t know when the family that I wanted to cling to my heart, expelled me from their heart.

I was thinking about what happened all of a sudden. In the last 2/3 months, their abuses have increased without any reason. He doesn’t speak to me nowadays. If I make tea for him, he throws the tea on my face; tries to throttle me. I don’t know what sin I have committed. I am not good-looking – is that my fault? I wanted to live with my family, is that my fault?

Nowadays he is always on his phone. One day, all of a sudden, I checked his phone. It was not locked by mistake. After reading a few messages from one of the girls who are our common friend, I was shocked. He is in an illicit relationship with her. They also have a physical relationship between them. My inner self dried up when I read those intimate, indecent and sexual messages. My head started spinning. I didn’t know what to do. I sat still in one place. They have a physical relationship for the last few months.

After reading the message, my whole world turned black. The family that I was decorating with care, the child that I was raised with all my love and affection, went away from me. As if, someone taught me that because I am not good-looking, I can’t dream about a happy family. I don’t have any right to love someone the way I want. All these can be snatched from me at any moment.

I don’t understand laws. I don’t want to know what cases I can file. I only know that I don’t have the right to have a happy family. Someone said adultery is legal now. That is why neither my husband nor that girl is an offender. This is their ‘right’ but what about mine?

Some people said, “You will get alimony and child custody too. Your husband will pay for all that.” But Supriyo has negated everything. He said, “I will pay for my child, but why should I pay for you? You can file cases if you want and see what happens.”

I have one question for you. Did we forget to look at our life without law and cases? The family I want is now breaking down. It’s another woman who is breaking it. So, will those good-looking women continue to break our families like these? Then what will happen to average women like us?

Today he is telling he will not give me alimony but want to break my family. I sacrificed my job for this family many years ago. Will I get a job now? Will even a man get a job after not working for years?

I am not a feminist. That’s why I didn’t file any case so far. I want to get back my family. Am I doing something wrong? Why there is no system (or law) to stop adultery in this society? Isn’t it causing more harm to women like me? And you my elder brothers, will you support men like my husband? Do you want to fight for their rights? What would you have done, if I was your own sister?

I don’t know why I am feeling that I am only garbage now.

Reply

Your story is indeed heart-wrenching and saddening. I can assure you that MRAs don’t support any form of crime against women but before deciding anything on your case I would like to hear your husband’s side of the story.

We have already noted that while striking down IPC 497 or adultery law, Supreme Court has gone overboard with comments on fundamental rights that gave this society a wrong message that ‘adultery is a right’ to married couples. We have also noted a sudden surge of open adultery cases in our society and particularly in Bengal.

But it’s our media who is responsible for this situation, not the Supreme Court. Supreme Court in its judgement on IPC 497 clearly said, “There can be no shadow of doubt that adultery can be a ground for any kind of civil wrong including dissolution of marriage.” (page 46 of Writ Petition (criminal) No. 194 of 2017 or IPC 497 judgement given in September 2018). But it was our media that wanted a piece of viral news and hence projected it in such a way that it turned out to be no ‘offence’.

Your husband’s case may also be a fallout of the recent SC verdict. When the adultery law needed to be strengthened while removing that section from criminal law category it sent a wrong message that adultery is a ‘right’ but in reality, it is not so. It is still a civil offense and you can get a divorce for your husband’s adultery.

Also, I personally support adultery not being a criminal offense. Because other than filing a criminal case under IPC 497 (against wife’s paramour) even husbands didn’t have any recourse (wives couldn’t file a case under IPC 497). Proving adultery beyond a reasonable doubt, as happens in criminal sections, was just impossible. So, while striking it down, our SC could have strengthened the civil provisions to stop such open abuse of our family system.

***

Adultery is a top rated series on The Male Factor.

Read all stories of Adultery – here

Advertisements

One comment

  1. Right decision to not misuse the laws even in a situation like this. It is very important for daughters to be given equal property and any working woman should at least have some savings before she gives up her job. That way one doesn’t have to think about financial security when you walk out of a situation as such. People have affairs when they are characterless and when there is no fear of punishment and few people end up having affairs when they suffer from a partner(not right either and always better to walk out first). But without any punishment for adultery, such cases will only increase in number and less effort on making the marriage work. You have not misused the laws but many will end up misusing other laws as adultery is not punishable.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.